ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল বাংলালিংক

ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল বাংলালিংক

‘সিনিউজ ডেস্ক: ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’-এ দুটি ক্যাটাগরিতে সম্মাননা অর্জন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ এ আয়োজনে বাংলালিংককে এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘এক্সটার্নাল সাপ্লাই চেইন, কোলাবরেশন অ্যান্ড পার্টনারশিপস’ এবং ‘এক্সিলেন্স ইন ইএসজি টেকনোলজি অ্যান্ড ডিজিটাল ইনোভেশন’ এ দুটি ক্যাটাগরিতে পুরষ্কার দেওয়া হয় বাংলালিংককে। নিজেদের সেলফ-রিটেইলার অ্যাপ ‘বাংলালিংক পাওয়ার’-এর জন্য এ স্বীকৃতি পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

চলতি বছরের মার্চে চালু হওয়া বাংলালিংক পাওয়ারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা স্মার্টফোনে মোবাইল রিচার্জ বিক্রি করে অতিরিক্ত আয় করতে পারেন। কোনো ধরণের আগাম বিনিয়োগ ছাড়াই প্ল্যাটফর্মটিতে যুক্ত হয়ে সেলফ-রিটেইলার (স্বনিয়ন্ত্রিত খুচরা বিক্রেতা) হিসেবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে এতে। এছাড়া, ডিজিটাল কেওয়াইসি যাচাই, রিয়েল-টাইম কমিশন ট্র্যাকিং এবং ডিজিটাল রিওয়ার্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে বিক্রয় ও আয়ের হিসাব পরিচালনা করা যায়।

নিজেদের ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে সকলের জন্য আয়ের সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করেছে বাংলালিংক। বিশেষ করে তরুণ, নারী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য কোনো দোকান স্থাপন করা ছাড়াই খুব সহজে আয়ের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

এ অর্জন সম্পর্কে বাংলালিংকের সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, “দেশজুড়ে সকলের জন্য ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরির মাধ্যমে প্রচলিত খুচরা বিক্রয় ব্যবস্থাকে বদলে দিচ্ছে বাংলালিংক পাওয়ার। প্ল্যাটফর্মটি কোনো আগাম বিনিয়োগের প্রয়োজন ছাড়াই মানুষের জন্য সহজ উপার্জনের সুযোগ তৈরি করে, যাতে করে খুচরা বিক্রেতারা স্মার্টফোন ব্যবহার করে সরাসরি ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে। আরও বেশি মানুষকে ডিজিটাল রিটেইল ইকোসিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করতে বাংলালিংক পাওয়ার যে অবদান রেখে চলেছে তা নিয়ে আমরা গর্বিত।”

দেশের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নের এ লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে  অংশীদারিত্ব করেছে বাংলালিংক পাওয়ার। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় প্রবেশের সুযোগ সীমিত এমন মানুষের জন্য বৃহত্তর ডিজিটাল অর্থনীতিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

প্ল্যাটফর্মটির কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান “ডিজিটাল রূপান্তর সত্যিকার অর্থে তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে যখন মানুষ প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হয়।  বাংলালিংক পাওয়ার আমাদের ডিজিটাল সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আয় ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির নতুন পথ তৈরির প্রতিফলন। প্রযুক্তি ও অংশীদাররিত্ব, উভয় বিভাগে স্বীকৃতি পাওয়া ডিজিটাল উদ্ভাবনের সঙ্গে বিভিন্ন খাতের প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব তৈরির গুরুত্বকে তুলে ধরে।”

বাংলালিংকের এই দ্বৈত স্বীকৃতি প্রযুক্তি ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন এবং দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক অঙ্গীকারের স্বীকৃতি।

 

Post Views: 28
Comments (0)
No comments yet

Leave a comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।